ধ্বনিতত্ত্ব ও ধ্বনির পরিবর্তন
প্রশ্ন: অঘোষ অল্পপ্রাণ ও ঘোষ অল্পপ্রাণ তালব্য ধ্বনির পরে নাসিক্য ধ্বনি তালব্য ধ্বনি হয়। তার উদাহরণ কোনটি?
উত্তর: রাজ+নী=রাজ্ঞী।
প্রশ্ন: বাংলা বর্ণমালায় বর্ণের সংখ্যা কয়টি?
উত্তর: ৫০টি।
প্রশ্ন: উষ্ম বর্ণ কোনগুলো?
উত্তর: শ, ষ, স, হ।
প্রশ্ন: বাংলা ভাষায় মাত্রাহীন বর্ণ কয়টি?
উত্তর: ১১টি।
প্রশ্ন: কোনটি ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি?
উত্তর: খ, ঘ, ছ, ঝ।
প্রশ্ন: তাড়নজাত ধ্বনি কোনটি?
উত্তর: ড় ঢ়।
প্রশ্ন: একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে কী বলা হয়?
উত্তর: স্বরসঙ্গতি।
প্রশ্ন: দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির মধ্যে পরস্পর স্থান পরিবর্তনকে কী বলে?
উত্তর: ধ্বনি বিপর্যয়।
প্রশ্ন: দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে কী বলে?
উত্তর: বিষমীভবন।
প্রশ্ন: স্বরসঙ্গতির উদাহরণ কী কী?
উত্তর: মুলো, দিশি, বিলিতি, তুলো, শিকে।
প্রশ্ন: যুগ্ম-রীতিতে দ্বিরুক্ত গঠনের ক্ষেত্রে শব্দের আদিস্বর পরিবর্তিত হয়েছে কোনগুলোতে?
উত্তর: চুপচাপ, মিটমাট, জারিজুরি।
প্রশ্ন: মানুষের কণ্ঠনিঃসৃত বাক্ সংকেতের সংগঠনকে কী বলে?
উত্তর: ভাষা।
প্রশ্ন: কোন বর্ণগুলোর উচ্চারণ স্থান অগ্রদন্ত্যমূল?
উত্তর: ন, ল, স।
প্রশ্ন: পদের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ হলে তাকে কী বলে?
উত্তর: অন্তর্হতি।
প্রশ্ন: পাশাপাশি দুটো স্বরধ্বনি থাকলে, দ্রুত উচ্চারণের সময় তা একটি সংযুক্ত স্বরধ্বনিরূপে উচ্চারিত হয়—এরূপ স্বরধ্বনিকে কী বলে?
উত্তর: যৌগিক স্বর।
প্রশ্ন: দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে কী বলে?
উত্তর: সম্প্রকর্ষ।
প্রশ্ন: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় তাকে কী বলে?
উত্তর: ঘোষ ধ্বনি।
প্রশ্ন: ঢ, ড়, ঢ়—এ তিনটির উচ্চারণ স্থান কোনটি?
উত্তর: পশ্চাৎ দন্তমূল।
প্রশ্ন: অঘোষ মহাপ্রাণ ওষ্ঠ্য বর্ণ কোনটি?
উত্তর: ফ।
প্রশ্ন: পরবর্তী স্বর সংবৃত হলে শব্দের আদি ‘অ’ কী হয়?
উত্তর: সংবৃত।
প্রশ্ন: বাংলা ভাষায় স্বরধ্বনির সংখ্যা কয়টি?
উত্তর: ১১টি।
প্রশ্ন: এক অক্ষরবিশিষ্ট শব্দ সব সময় কেমন হয়?
উত্তর: দীর্ঘ হয়।
প্রশ্ন: কোন দুটি বর্ণকে অন্তঃস্থ বর্ণ বলা হয়?
উত্তর: য এবং ব।
প্রশ্ন: তর, তম, তন প্রত্যয়যুক্ত বিশেষণ পদের অন্ত্য ‘অ’ কী হয়?
উত্তর: সংবৃত।
প্রশ্ন: কোন ক্ষেত্রে ‘এ’ ধ্বনি বিবৃত হয়?
উত্তর: খাঁটি বাংলা শব্দে।
প্রশ্ন: প্রগত স্বরসঙ্গতির উদাহরণ কী?
উত্তর: মূলা>মূলো, তুলা>তুলো।
প্রশ্ন: একটি স্বরাগমের উদাহরণ কী?
উত্তর: পিরীতি।
প্রশ্ন: ক্লেশ>কিলেশ, প্রীতি>পিরীতি, গ্লাস>গেলাস এগুলো কিসের উদাহরণ?
উত্তর: স্বরাগম।
প্রশ্ন: ধ্বনি বিপর্যয়-এর উদাহরণ কী?
উত্তর: বাকস>বাসক।
প্রশ্ন: কোনটি মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষের উদাহরণ?
উত্তর: স্বপ্ন>স্বপন।
প্রশ্ন: স্বরবর্ণের প্রাথমিক রূপ কাকে বলে?
উত্তর: স্বরবর্ণের স্বাধীন ব্যবহারকে।
প্রশ্ন: কম্পনজাত ধ্বনি কোনটি?
উত্তর: র।
প্রশ্ন: বাংলা স্পর্শ ব্যঞ্জনগুলোতে কয়টি নাসিক্য বর্ণ আছে?
উত্তর: ঙ, ঞ, ণ, ন, ম।
প্রশ্ন: ধ্বনির প্রতীককে কী বলা হয়?
উত্তর: উচ্চারণ।
প্রশ্ন: বাংলা বর্ণমালার মোট কতটি সরল বা অসংযুক্ত বর্ণ আছে?
উত্তর: ৪৯টি।
প্রশ্ন: স্বাধীনভাবে ব্যবহূত হয় কোন বর্ণ?
উত্তর: অ।
প্রশ্ন: কোন ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে?
উত্তর: মহাপ্রাণ ধ্বনি।
প্রশ্ন: বাক্যের বিশেষ বিশেষ অর্থ ও ভাব প্রকাশের জন্য উচ্চারণের সময় যে ধ্বনিতরঙ্গ সৃষ্টি হয় তাকে কী বলে?
উত্তর: স্বরভঙ্গি।
প্রশ্ন: অঘোষ অল্পপ্রাণ ও ঘোষ অল্পপ্রাণ তালব্য ধ্বনির পরে নাসিক্য ধ্বনি তালব্য ধ্বনি হয়। তার উদাহরণ কোনটি?
উত্তর: রাজ+নী=রাজ্ঞী।
প্রশ্ন: বাংলা বর্ণমালায় বর্ণের সংখ্যা কয়টি?
উত্তর: ৫০টি।
প্রশ্ন: উষ্ম বর্ণ কোনগুলো?
উত্তর: শ, ষ, স, হ।
প্রশ্ন: বাংলা ভাষায় মাত্রাহীন বর্ণ কয়টি?
উত্তর: ১১টি।
প্রশ্ন: কোনটি ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি?
উত্তর: খ, ঘ, ছ, ঝ।
প্রশ্ন: তাড়নজাত ধ্বনি কোনটি?
উত্তর: ড় ঢ়।
প্রশ্ন: একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে কী বলা হয়?
উত্তর: স্বরসঙ্গতি।
প্রশ্ন: দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির মধ্যে পরস্পর স্থান পরিবর্তনকে কী বলে?
উত্তর: ধ্বনি বিপর্যয়।
প্রশ্ন: দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে কী বলে?
উত্তর: বিষমীভবন।
প্রশ্ন: স্বরসঙ্গতির উদাহরণ কী কী?
উত্তর: মুলো, দিশি, বিলিতি, তুলো, শিকে।
প্রশ্ন: যুগ্ম-রীতিতে দ্বিরুক্ত গঠনের ক্ষেত্রে শব্দের আদিস্বর পরিবর্তিত হয়েছে কোনগুলোতে?
উত্তর: চুপচাপ, মিটমাট, জারিজুরি।
প্রশ্ন: মানুষের কণ্ঠনিঃসৃত বাক্ সংকেতের সংগঠনকে কী বলে?
উত্তর: ভাষা।
প্রশ্ন: কোন বর্ণগুলোর উচ্চারণ স্থান অগ্রদন্ত্যমূল?
উত্তর: ন, ল, স।
প্রশ্ন: পদের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ হলে তাকে কী বলে?
উত্তর: অন্তর্হতি।
প্রশ্ন: পাশাপাশি দুটো স্বরধ্বনি থাকলে, দ্রুত উচ্চারণের সময় তা একটি সংযুক্ত স্বরধ্বনিরূপে উচ্চারিত হয়—এরূপ স্বরধ্বনিকে কী বলে?
উত্তর: যৌগিক স্বর।
প্রশ্ন: দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে কী বলে?
উত্তর: সম্প্রকর্ষ।
প্রশ্ন: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় তাকে কী বলে?
উত্তর: ঘোষ ধ্বনি।
প্রশ্ন: ঢ, ড়, ঢ়—এ তিনটির উচ্চারণ স্থান কোনটি?
উত্তর: পশ্চাৎ দন্তমূল।
প্রশ্ন: অঘোষ মহাপ্রাণ ওষ্ঠ্য বর্ণ কোনটি?
উত্তর: ফ।
প্রশ্ন: পরবর্তী স্বর সংবৃত হলে শব্দের আদি ‘অ’ কী হয়?
উত্তর: সংবৃত।
প্রশ্ন: বাংলা ভাষায় স্বরধ্বনির সংখ্যা কয়টি?
উত্তর: ১১টি।
প্রশ্ন: এক অক্ষরবিশিষ্ট শব্দ সব সময় কেমন হয়?
উত্তর: দীর্ঘ হয়।
প্রশ্ন: কোন দুটি বর্ণকে অন্তঃস্থ বর্ণ বলা হয়?
উত্তর: য এবং ব।
প্রশ্ন: তর, তম, তন প্রত্যয়যুক্ত বিশেষণ পদের অন্ত্য ‘অ’ কী হয়?
উত্তর: সংবৃত।
প্রশ্ন: কোন ক্ষেত্রে ‘এ’ ধ্বনি বিবৃত হয়?
উত্তর: খাঁটি বাংলা শব্দে।
প্রশ্ন: প্রগত স্বরসঙ্গতির উদাহরণ কী?
উত্তর: মূলা>মূলো, তুলা>তুলো।
প্রশ্ন: একটি স্বরাগমের উদাহরণ কী?
উত্তর: পিরীতি।
প্রশ্ন: ক্লেশ>কিলেশ, প্রীতি>পিরীতি, গ্লাস>গেলাস এগুলো কিসের উদাহরণ?
উত্তর: স্বরাগম।
প্রশ্ন: ধ্বনি বিপর্যয়-এর উদাহরণ কী?
উত্তর: বাকস>বাসক।
প্রশ্ন: কোনটি মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষের উদাহরণ?
উত্তর: স্বপ্ন>স্বপন।
প্রশ্ন: স্বরবর্ণের প্রাথমিক রূপ কাকে বলে?
উত্তর: স্বরবর্ণের স্বাধীন ব্যবহারকে।
প্রশ্ন: কম্পনজাত ধ্বনি কোনটি?
উত্তর: র।
প্রশ্ন: বাংলা স্পর্শ ব্যঞ্জনগুলোতে কয়টি নাসিক্য বর্ণ আছে?
উত্তর: ঙ, ঞ, ণ, ন, ম।
প্রশ্ন: ধ্বনির প্রতীককে কী বলা হয়?
উত্তর: উচ্চারণ।
প্রশ্ন: বাংলা বর্ণমালার মোট কতটি সরল বা অসংযুক্ত বর্ণ আছে?
উত্তর: ৪৯টি।
প্রশ্ন: স্বাধীনভাবে ব্যবহূত হয় কোন বর্ণ?
উত্তর: অ।
প্রশ্ন: কোন ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে?
উত্তর: মহাপ্রাণ ধ্বনি।
প্রশ্ন: বাক্যের বিশেষ বিশেষ অর্থ ও ভাব প্রকাশের জন্য উচ্চারণের সময় যে ধ্বনিতরঙ্গ সৃষ্টি হয় তাকে কী বলে?
উত্তর: স্বরভঙ্গি।
No comments:
Post a Comment